অস্ট্রেলিয়ায় করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পজিটিভ বিডি নিউজ ২৪ ডট কম:  অস্ট্রেলিয়ায় করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) টিকাদান কর্মসূচি আজ রোববার থেকে শুরু হয়েছে। তবে এ কর্মসূচি শুরুর এক দিন আগেই শীর্ষস্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাসহ অন্য ব্যক্তিদের একটি ছোট দলকে এই টিকা দেওয়া হয়।

জনগণের মধ্যে টিকা নেওয়ার বিষয়ে আস্থা জোরালো করার লক্ষ্যে কর্মসূচির শুরুতেই টিকা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। সিডনির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে ফাইজার–বায়োএনটেকের টিকা নেন তিনি।

প্রথম টিকা নেন একটি প্রবীণনিবাসের বাসিন্দা ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বেঁচে যাওয়া অশীতিপর অস্ট্রেলীয় নাগরিক জেন মালেসিয়াক। পরে স্বাস্থ্যকর্মী ও অন্য কর্মকর্তারা টিকা নেন।

প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন গতকাল শনিবার বলেন, ‘আমাদের দেশের জন্য এটি খুবই ঐতিহাসিক একটি দিন। আমিও কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছি। আগামীকাল (রোববার) আমাদের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। এটির পর্দা উন্মোচনের আগে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন। আর তা হলো, এ টিকা নিরাপদ এবং এটি নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ঝুঁকিতে থাকা ও সম্মুখসারির ব্যক্তিদের দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু করা প্রয়োজন।’

হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে প্রধান শহরগুলোয় টিকার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হওয়ার পরদিন আজ ওই টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এবিসি জানায়, বিক্ষোভের সময় পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

অস্ট্রেলিয়ার ২২ শতাংশ মানুষ বলছেন, তাঁরা করোনার টিকা নিতে চান না। অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এক জরিপে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোয় দেশটির মানুষের মধ্যে টিকা নেওয়ার ব্যাপারে দ্বিধাদ্বন্দ্ব বাড়ছে।

জনগণের মধ্যে টিকা নেওয়ার বিষয়ে আস্থা জোরালো করার লক্ষ্যে কর্মসূচির শুরুতেই টিকা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। সিডনির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে ফাইজার–বায়োএনটেকের টিকা নেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়া সরকার দেশটিতে গত জানুয়ারিতে ফাইজারের টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেয়। কয়েক মাস আগেই বিভিন্ন দেশ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। সে তুলনায় অস্ট্রেলিয়া দেরি করেই এটি শুরু করল। সম্প্রতি অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ব্যবহার করারও অনুমোদন দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তবে এখনই এটি দেওয়া হচ্ছে না।

করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এখন পর্যন্ত তুলনামূলকভাবে সফল অস্ট্রেলিয়া। আড়াই কোটি বাসিন্দার দেশটিতে এ পর্যন্ত এই মহামারিতে ২৯ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। আর মারা গেছেন ৯০৯ জন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*