আজ হিলি ট্রেন দূর্ঘটনা দিবস

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আব্দুর রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি- দিনাজপুর হিলিতে ট্রেন দূর্ঘটনা দিবস পালন করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের উদ্যোগে নিহতদের স্মরণে কালো ব্যাজ ধারণ, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন রশিদ হারুন, পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন উর রশিদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পারুল নাহার বেগম, রেলওয়ে একতা ক্লাবের সভাপতি আমজাদ খানসহ অনেকে।

উল্লেখ্য যে, ১৩ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে সীমান্তবর্তী হিলি রেলষ্টেশনে ঘটেছিল এক হৃদয় বিদারক ট্রেন দূর্ঘটনা। সেদিনের দূর্ঘটনার কথা মনে হলে আজও গা শিউরে উঠে স্থানীয়দের।

হিলি রেলওয়ে একতা ক্লাবের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বুলুসহ কয়েকজন প্রত্যদর্শী জানান, ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারী শুক্রবার রাত সোয়া ৯ টার দিকে হিলি রেলষ্টেশনের ১ নং লাইনে দাঁড়িয়েছিল গোয়ালন্দ-পার্বতীপুরগামী ৫১১ নং লোকাল ট্রেনটি। কর্তব্যরত ষ্টেশন মাষ্টার ও পয়েন্টম্যানের দায়িত্বহীনতার কারনে ১ নং লাইনে ঢুকে পড়ে সৈয়দপুর-খুলনাগামী ৭৪৮ নম্বর আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস। ভুল সংকেতের কারনে মুহুর্তেই দু’টি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে বিকট শব্দে ভারী হয়ে উঠে হিলির আকাশ বাতাস।

দুমড়ে মুচড়ে যায় লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ ৩ টি বগী। পরে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন, স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের সদস্যসহ স্থানীয়রা নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে। বেসরকারী ভাবে নিহতের সংখ্যা শতাধিক হলেও সরকারী ভাবে ঘোষনা করা হয় ২৭ জন।

সেই দূর্ঘটনায় আহতদের অনেকে এখনো পঙ্গুত্ববরণ করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার পরে কেটে গেছে ২৫ বছর। আজও আহত ও নিহতদের পরিবারগুলো পায়নি ক্ষতিপূরণের টাকা। এ দূর্ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠিত হলেও অদ্যাবধি আলোর মুখ দেখেনি সেই তদন্ত রিপোর্ট।

পরদিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছুটে আসেন হিলিতে। ঘোষনা দেন আহত ও নিহত পরিবারকে ক্ষতিপুরণের।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*