করোনা যুদ্ধের প্রহরী বিরামপুরের মেধাবীমুখ ডাঃ ফাহমিদা হাসান মিমি

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আব্দুর রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি : ৩৯ তম বিসিএস এর স্বাস্থ্য ক্যাডারে পরবর্তীতে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত ২ হাজার চিকিৎসকদের মধ্যে ফলাফলের ভিত্তিতে নবম ও উত্তরবঙ্গের মধ্যে ১ম স্থান অধিকার করে এক অসামান্য কৃতিত্বের অর্জন করা ডাঃ ফাহমিদা হাসান মিমি মহামারী করোনাভাইরাসের মহাদুর্যোগে বিপদাপন্ন মানুষের চিকিৎসাসেবায় সম্মুখসারিতে জীবন বাজি রেখে লড়াই করে যাচ্ছেন।

তিনি দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের সীমান্তঘেঁষা চাপড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মুহাম্মদ ফসিউদ্দিন মন্ডল রংপুর- দিনাজপুর অঞ্চলের বিএডিসির একজন সাবেক সৎ খ্যাতিমান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছিলেন এবং মাতা মোছাঃ আশরাফুন নাহার স্থানীয় হামলাকুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষিকা।

করোনা যুদ্ধের প্রহরী ডাঃ ফাহমিদা হাসান মিমি বর্তমানে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সহকারী সার্জন পদে যোগদান করে কোভিড-১৯ ইউনিটে ভয়-ক্লান্তিকে হার মানিয়ে করোনার সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে অকুতোভয়ে নিজের মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে আক্রান্ত রোগীদের অতি সন্নিকটে রাত-দিন নিরলস শ্রম দিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদান করছেন।

দেশের ক্রান্তিলগ্নে নিজের পারিবারিক সুখ স্বাচ্ছন্দ বিসর্জন দিয়ে করোনার ভয়াবহ প্রকোপে মানুষের চিকিৎসাসেবা দেয়া আত্মত্যাগী অত্যন্ত মেধাবী এই চিকিৎসক এমবিবিএস পাশ করেছেন উত্তরবঙ্গের সেরা চিকিৎসাকেন্দ্র রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে। প্রচারবিমুখ এ চিকিৎসক শৈশবকালেই বিরল কৃতিত্ব অর্জন হিসেবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সারাদেশে মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেন।

উল্লেখ্য, তিনি বিরামপুর উপজেলা পরিষদের এলজিইডির অত্যন্ত সুনামধন্য প্রাক্তন হিসাবরক্ষক আলহাজ্ব আজগর আলীর একমাত্র পুত্রবধু ও বিরামপুর পৌরসভার সাবেক প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার পারভেজের শ্যালক এম কে হাসান অলিভ এর স্ত্রী। তার স্বামী এম কে হাসান অলিভ ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন থেকে বৃটিশ ল পাশ করে এখন আইনজীবী হিসেবে জনগণের জন্য মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছেন।

অদৃশ্য আনুবিক্ষণিক মরণব্যাধি করোনা ভাইরাসের কারণে বিপর্যস্ত সারা পৃথিবী। এই প্রাণঘাতী করোনা বিশ্বের উন্নতশীল দেশগুলোকে কুপোকাত করে ধ্বংসাত্মক গতিতে আঘাত হানতেছে বাংলাদেশেও।

দেশের সংকটাপন্ন মুহূর্তে করোনার বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে থাকা মৃত্যু ভয় উপেক্ষা করে চিকিৎসকগণ জাতীয় বীর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন যেমন, তেমনি নিবেদিত প্রাণের ডাঃ ফাহমিদা হাসান মিমি জীবনের শেষ নিঃশ্বাস অবধি মানুষের চিকিৎসাসেবার এ মহান পেশায় আত্মোৎসর্গে ব্রত করেছেন এবং ভবিষ্যতে প্রসূতিবিদ্যায় অভিজ্ঞতা অর্জনের মধ্য দিয়ে একজন দেশসেরা গাইনোকোলজিষ্ট হয়ে চিকিৎসাশাস্ত্রে সাফল্যের স্বর্ণশিখরে আরোহণ করতে স্বপ্ন দেখেন এই গুণী চিকিৎসক, তিনি সবার নিকট দোয়াপ্রার্থী।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*