কৃষ্ণচূড়ার রঙে রঙিন বিরামপুর পৌরশহর

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আব্দুর রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি- দিনাজপুরের বিরামপুর শহর এখন বর্ণিল ফুলের শহর। রাস্তার দু’ধারে অসংখ্য কৃষ্ণচূড়ার গাছে ফুলের সমারোহ রঙ ছড়িয়ে করে তুলেছে বর্ণময়।

গ্রীষ্মের প্রচন্ড খরতাপে বিশুদ্ধ অক্সিজেনের পাশাপাশি চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে লকডাউনে নিষ্প্রাণ পৌরশহরে জরুরি প্রয়োজনে যাঁরা বাহিরে যাচ্ছেন, এসব গাছ দিতেছে ক্লান্ত দেহে ছাঁয়া আর মনে প্রশান্তির পরশ। পুষ্পিত বিরামপুরের সবচেয়ে সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে শহরের সোনালী ব্যাংক মোড় এলাকার রাস্তা। এছাড়াও কৃষি ব্যাংক মোড়, হাজী মার্কেট মোড়, রেলগেট, রেলওয়ে স্টেশন এলাকা, শালবাগান রোড, কলাবাগান মোড়, কলেজবাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় কৃষ্ণচূড়ার গাছে গাছে যেন আগুন লেগেছে।

পৌরমেয়র লিয়াকত আলী সরকার টুটুল পৌরবাসীকে অপরূপ বিরামপুর পেজের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “ফুল সৌন্দর্যের প্রতীক। ১ম শ্রেণীর বিরামপুর পৌরসভার রাস্তার মোড়ে মোড়ে কৃষ্ণচূড়ার লাল ফুলগুলো পৌরশহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। গ্রীষ্মের প্রখর রোদের কিরণ ফুলের গায়ে পড়তেই চারিদিকে তার আভা ছড়িয়ে পড়ে। কৃষ্ণচূড়া গাছের কুচিকুচি সবুজ পাতার ভাঁজে ভাঁজে হেসে উঠে লাল সবুজের অপরূপ সৌন্দর্য। আসুন, আমরা বাড়ির ছাদ, আঙ্গিনা সহ উপযুক্ত স্থানে বাহারি ফুলগাছ লাগিয়ে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করি ও সুন্দর সমাজ গড়ি”।

হাজী মার্কেট মোড়ে দর্জি কারিগর সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক সানোয়ার হোসেন বলেন, “গাছের ছাঁয়ায় তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গরমের দিনে অনেক স্বস্থ্যি পান। শহরের বিভিন্ন এলাকায় গাছগুলোর ছাঁয়া শ্রমজীবীদের জন্য স্বস্তির উৎস”।

মেহেক নারী উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক নিগার সুলতানা বলেন, “গ্রীষ্মের এই খরতাপে দু’দন্ড শান্তির পরশ শহরের কৃষ্ণচূড়া গাছগুলো। এত রঙের বর্ণচ্ছটা আমাদের শহরে দেখতেও ভালো লাগে”।

কলেজ বাজারের হোমিও চিকিৎসক সৈয়দ সাহেদুল আলম বলেন, “ফুল সৌন্দর্যের প্রতীক, আমরা ফুলের মত মনটিকে সাজিয়ে শান্তিতে ফিরিয়ে আনি”।

গাছের ছাঁয়ায় জিরিয়ে নেয়া ভ্যান চালক আরিফুল মিয়া বলেন, “ভ্যান চালিয়ে ক্লান্ত হলে গাছের ছাঁয়ায় একটু জিরিয়ে শরীর ঠান্ডা করি”।(স্টেশন রোড থেকে তোলা ছবি)

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*