চলতি অর্থবছরে হিলি কাস্টমসে রাজস্ব আদায় ৩৫০ কোটি টাকা

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মোসলেম উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাসের মধ্যেও চলতি অর্থবছরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে ৩৫০ কোটি  ২৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় করেছেন হিলি কাস্টমস।  দ্বিতীয় ধাপের লকডাউনের মধ্যেও অর্থবছরে গত এপ্রিল মাসে স্থলবন্দরে ভারত থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৯২৮ মেট্রিকটন। আর তা থেকে সরকার রাজস্ব পেয়েছেন ৬৮ কোটি ৬২ লাখ ৯ হাজার টাকা। একমাসে ভারত থেকে চাল আমদানি হয়েছে ৫৫ হাজার ৫৭ মেট্রিকটন। যা থেকে রাজস্ব আদায় ৪০ কোটি ৪৪ লাখ ২৪ হাজিার টাকা। পাথর আমদানি ৮৭ হাজার ৯৫৪ মেট্রিকটন, রাজস্ব আদায় ৬ কোটি ১৫ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। পেঁয়াজ আমদানি ৫ হাজার ৬৯৬ মেট্রিকটন, রাজস্ব আদায় ১ কোটি ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

বুধবার (৫ মে) হিলি চেকপোস্ট থেকে বন্দর ঘুরে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলছে ভারত থেকে এই বন্দরে আমদানির সকল কার্যক্রম। চেকপোস্টে ভারতীয় ট্রাকগুলোকে চেকপোস্টের প্রবেশ মুখে জীবাণুশক স্প্রে করা হচ্ছে এবং চালক ও হেলপারদের টানেলের মাধ্যমে স্প্রে করা হচ্ছে। আবার বন্দর প্রবেশ গেটে হ্যান্ড স্প্রেসহ গাড়ি স্প্রে করা। গাড়ি চালকদের নিকট হতে কাগজপাতি নিতে বন্দর কর্মীরা সামাজিক দুরত্ব রেখে লাঠির মাথায় ঝুড়ি ব্যবহার করছেন। বন্দরের ভিতর লেবার-শ্রমিকরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভারতীয় ট্রাক থেকে পণ্য আনলোড করে দেশি ট্রাকগুলো লোড করছেন। সবার জন্য রয়েছে আলাদা ব্যবস্থাপনা।

হিলি পানামা পোর্ট লিংকের গণসংযোগ কর্মকর্তা সোহারব হোসেন প্রতাব মল্লিক বলেন, করোনা মোকাবিলায় আমরা বন্দরে সব ধরনের নিয়ম অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। গত এপ্রিল মাসে ভারত থেকে এই বন্দরে মোট পণ্যবাহী ট্রাক এসেছে বন্দরে ৪৩০০ টি, প্রতিদিন প্রায় ১৮০ টি ট্রাক।

হিলি কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার সাইদুল আলম বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বেঁধে দেওয়া রাজস্ব আদায়ের লক্ষমাত্রার তুলনাই অর্থবছরে এই বন্দরে রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি পেয়েছে ১৪৩%। ২০২১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত লক্ষমাত্রা ছিলো ২৪৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা। তা লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে চলতি অর্থবছরে এপ্রিল মাস পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩৫০ কোটি ২৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। গত ২০২০ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়েছিলো ১৫৪ কোটি ৮০ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। গত অর্থবছরের তুলনাই চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি ২২৬%।

তিনি আরও বলেন, বিগত অর্থ বছরের চেয়ে বর্তমান অর্থ বছরের রাজস্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে যে পরিমাণ পণ্য আমদানি হয়েছিলো, বর্তমানেও একি আছে। তবে বন্দরে মনিটরিং ব্যবস্থা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখন এই বন্দরে কোন অনিয়ম নেই, যার কারণে সরকার সঠিক রাজস্ব পাচ্ছে। আমি আশা করছি আগামীতে রাজস্ব আরও বৃদ্ধি পাবে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*