জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান প্যারেড স্কয়ারে

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পজিটিভ বিডি নিউজ ২৪ ডট কম: বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও থাকবেন বিদেশি অতিথি। তবে বিদেশি অতিথিদের মধ্যে কারা আসছেন তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ পূর্তির মুহূর্তে এ অনুষ্ঠানটি হবে। ওই দিন থেকে শুরু হবে জন্মশতবার্ষিকীর বছরব্যাপী অনুষ্ঠান। চলবে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত।

অনুষ্ঠানে দশটি বিশাল ক্যানভাসে ছবি আঁকবেন দেশের খ্যাতনামা দশজন শিল্পী। আট ফুট দৈর্ঘ্য ও ২৪ ফুট প্রস্থের ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে নিখুঁতভাবে আঁকা সেসব ছবিতে উদ্ভাসিত হবেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রতিটি ছবিতেই ইতিহাসের একটি অধ্যায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে আঁকা হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতিকে। দেশের খ্যাতনামা গীতিকারের লেখা গানে রচিত হবে থিম সং। খ্যাতনামা শিল্পীর আঁকা লোগো ছড়িয়ে যাবে দেশ ও দেশের বাইরে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য এসব কিছুরই প্রস্তুতি চলছে। উদযাপন কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিকে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের কাউন্ট-ডাউন বা ক্ষণগণনা শুরু হবে ১০ জানুয়ারি

(২০২০) থেকে। চলছে এ উপলক্ষে নানা ধরনের প্রস্তুতি। এ উপলক্ষে সরকার গঠিত কমিটির বৈঠকে নানা বিষয় নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ শেষে চূড়ান্ত করা হয়েছে। মুজিববর্ষ সফল করতে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভায় গঠিত আটটি উপকমিটি কাজ করছে। সেগুলো হচ্ছে- ১. ওয়ার্কশপ ও আলোচনা সভা আয়োজন উপকমিটি, ২. আন্তর্জাতিক কর্মসূচি যোগাযোগ উপকমিটি, ৩. সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনী আয়োজন উপকমিটি, ৪. প্রকাশনা ও সাহিত্য অনুষ্ঠান উপকমিটি, ৫. আন্তর্জাতিক প্রকাশনা অনুবাদ উপকমিটি, ৬. ক্রীড়া ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজন উপকমিটি, ৭. মিডিয়া প্রকাশ ও ডকু্যমেন্টেশন উপকমিটি এবং ৮. চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র উপকমিটি।

জানা গেছে, সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও একাধিক বেসরকারি সংগঠন বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের জন্য পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এবং এখনো তা অব্যাহত রয়েছে। সরকারের পক্ষে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ও বছরব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সামঞ্জস্যের পাশাপাশি ভিন্নতাও রয়েছে। মন্ত্রণালয়ভিত্তিক কর্মসূচি প্রায় চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ১৭ মার্চ থেকে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হবে।

উলেস্নখ্য, ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার জন্মশতবর্ষ উদযাপনে ২০২০ ও ২০২১ সালকে ‘মুজিববর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করে এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘এই আয়োজনে সব বয়স ও শ্রেণিপেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে।’

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*