দায়িত্বপ্রাপ্তদের পরিকল্পনার অভাবেই বিএনপি প্রার্থীর ভরাডুবি

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পজিটিভ বিডি নিউজ ২৪ ডটকম: সদ্য সমাপ্ত ঢাকা১৮ আসনের উপনির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের শোচনীয় পরাজয় হয়েছে আর এতে নিজ দলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের পরিকল্পনার অভাবকেই দুষছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা
দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, ভোটের দিন কীভাবে দায়িত্বপালন করবেন, সে বিষয়ে তাদের কাছে কোনো নির্দেশনাই ছিল না। আমান উল্লাহ আমানের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি থাকলেও ওই কমিটির কেউই তাদের সঙ্গে আন্তরিকতার সঙ্গে কথাও বলেননি

পরিচয় গোপন করার শর্তে স্থানীয় এক নেতা জানান, গত ২৪ অক্টোবর থেকে ঢাকা১৮ আসনে গণসংযোগ শুরু হয়। এতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেখানোর জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি শুধু সেক্টরের মধ্যে ভাড়াটে লোক দিয়ে বড় বড় মিছিল করেছে। অনেক কেন্দ্রীয় নেতাকে আসতে বাধ্যও করা হয়েছে। অথচ স্থানীয় নেতাকর্মীদের গণসংযোগে দেখা যায়নি

তিনি আরো জানান, উপনির্বাচনে বিএনপির প্রত্যাশা ছিল অন্তত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাওয়া, নেতাকর্মীদের সক্রিয় করা ইত্যাদি। লক্ষ্যে প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের উদ্যোগের কমতি না থাকলেও নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের পরিকল্পনা একদমই ছিল না

ঢাকা১৮ আসনের উপনির্বাচন উপলক্ষে যুবদল ঢাকা উত্তরের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনসহ আটজন মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। এর মধ্যে জাহাঙ্গীর, মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কফিল উদ্দিন তরুণ ব্যবসায়ী বাহাউদ্দিন সাদীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। এদের মধ্যে কফিলকে দুএকদিন গণসংযোগে জাহাঙ্গীরের সঙ্গে দেখা গেলেও সাদীকে একবারের জন্যও দেখা যায়নি

দলের নির্ভরযোগ্য সূত্র সাদী সংশ্লিষ্টরা জানান, ঢাকা১৮ আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে বঞ্চিতদের পক্ষ থেকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উত্তরার ভাড়া বাড়িতে কিছু নেতাকর্মী ডিম নিক্ষেপ করে। ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ের ১৮ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়। যদিও মহাসচিব এই বহিষ্কারের বিপক্ষে ছিলেন। কিন্তু ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি এম কাইয়ুমসহ অন্যান্যদের চাপে ওই নেতাকর্মীদের বহিষ্কার করা হয়।

এরপর থেকে সাদীর সঙ্গে দলের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন নেতা গুলশানে দলের চেয়ারপার্সনের কার্যালয় উত্তরায় সিনিয়র এক নেতার বাসায় বৈঠক করেন। কিন্তু সাদী শর্ত ছিলআগে বহিষ্কৃত নেতাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করতে হবে, এরপর নির্বাচনে একযোগে কাজ করা হবে। কিন্তু তার ওই কথা বাস্তবে রূপ পায়নি

তবে সূত্র বলছে, এস এম জাহাঙ্গীর দলের সবাইকে নির্বাচনের মাঠে নামানোর পক্ষে ছিলেন। লক্ষ্যে কফিলসহ অনেকের বাসায়ও গিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাজের কাজ কিছুই হয়নি, কাউকেই মাঠে পাওয়া যায়নি

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*