দিনাজপুরের বিরামপুর সহ চার উপজেলায় রোপা আমন ধানকাটায় ব্যস্ত সাঁওতাল নারীরা

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আজহার ইমাম : দিনাজপুরের বিরামপুর সহ চার উপজেলায় রোপা আমনের চাষাবাদে লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৫৭হাজার ৭শ ২৫ হেক্টর এতে করে রোপা আমন সম্ভব্য ধানে উৎপাদন হবে ২লক্ষ ৩২হাজার ৯শ ৯৯ মেট্রিকটন। এতে করে সম্ভব্য চালে উৎপাদন হবে ১লক্ষ ৫৯হাজার ৫শ ৪৩ মেট্রিকটন। এতে করে আমনের ধান কাটার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির (সাঁওতাল) নারীরা।

আজ মঙ্গলবার উপজেলার খানপুর ইউনিয়নে আমন ধানাকাটার কাজে নিয়োজিত সাঁওতাল নারীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পুরুষদের দৈনিক মজুরী ৫শ টাকা হলেও নারী শ্রমিকদের মজুরী ৩শ টাকা। আবার পুরুষের চেয়ে কম মজুরীতে শ্রমিক পাওয়ায় চাষীরাও নারী শ্রমিকদের ক্ষেত পরিচর্যার কাজে নিয়োজিত করছেন।

বিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিক্সন চন্দ্র পাল জানান, বিরামপুর উপজেলার এবার ১৭ হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে আমন রোপনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। নবাবগঞ্জ কৃষি কর্মকর্তা মোাস্তাফিজুর রহমান জানান, এবার নবাবগঞ্জে ২১হাজার ৮শ হেক্টর জমিতে আমন রোপনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে। ঘোড়াঘাট কৃষিকর্মকর্তা এখলাছুর রহমান জানান, ১০হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে। হাকিমপুর কৃষিকর্মকর্তা শামিমা নাজনিন জানান, ৮হাজার ২শ ২০ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে।

নবাবগঞ্জ কৃষি কর্মকর্তা মোাস্তাফিজুর রহমান জানান, অধিক ধানের দাম পাওয়ায় কৃষকরা অন্যান্য ফসলের চেয়ে ধান চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছে। ফলে বন্যার প্রভাব মুক্ত অনুকূল আবহাওয়ায় বিরামপুর সহ চার উপজেলায় এবার লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে আমনের চারা রোপন করা হয়েছে। কৃষকদের রোপনকৃত ধানের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে গুটি সর্নাসহ বিভিন্ন জাতের ধান।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*