ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড জাতীয় সংসদে বিল পাস

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পজিটিভ বিডি নিউজ ২৪ ডটকম : ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে পাস হলোনারী শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল২০০০ এতে বিদ্যমান আইনে থাকাধর্ষিতাশব্দটির বদলেধর্ষণের শিকারশব্দ যুক্ত করা হয়েছে মহিলা শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা গতকাল মঙ্গলবার সংসদে বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়
ধর্ষিতা শব্দটি লিঙ্গ বৈষম্যের পরিচায়ক বলে বিভিন্ন সময়মতো আসার প্রেক্ষাপটে বিলেধর্ষণের শিকারশব্দবন্ধ দিয়েধর্ষিতাশব্দটি প্রতিস্থাপনের সুপারিশ করেছিল সংসদীয় কমিটি। মূল আইনের () ধারাসহ কয়েক জায়গায়ধর্ষিতাশব্দটি বাদ দিয়েধর্ষণের শিকারশব্দটি যুক্ত করা হয়েছে

দেশ জুড়ে ধর্ষণ নারী নির্যাতনবিরোধী আন্দোলন এবং ধর্ষণকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়। সংসদ অধিবেশন না থাকায় সংশোধিত আইন কার্যকর করতে গত ১৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদনারী শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ২০০০জারি করেন। পরে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী নভেম্বর আইনে পরিণত করতে অধ্যাদেশটি সংসদে তোলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। একইদিনে সেটি বিল আকারে সংসদে তোলেন মহিলা শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী। পরে পরীক্ষা করে সংসদে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য বিলটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। ২০০০ সালের নারী শিশু নির্যাতন

দমন আইনের () উপধারায় বলা ছিলযদি কোনো পুরুষ কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহলে তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন।বিলে মূল আইনের খসড়ার () উপধারায়যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডশব্দগুলোর পরিবর্তেমৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডশব্দগুলো প্রতিস্থাপন করা হয়েছে

আইনের () () উপধারায় ছিলযদি কোনো ব্যক্তি কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহলে ব্যক্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন।এই উপধারা সংশোধন করে পাশ হওয়া বিলেযাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’-এর পরিবর্তেমৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডশব্দগুলো যোগ করা হয়েছে

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*