ফরেনসিকে নীল ! ডিএনএ পরীক্ষায় মিললো ধর্ষণের প্রমাণ! শাস্তি দাবী পরিবারের

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্টাফ রিপোর্টার : দিনাজপুরের বিরামপুরে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রী (১৩) কে ধর্ষনের অভিযোগে সবুজ আটক হয়। দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে ভিকটিমকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি (নীল) এমন রির্পোট দেয়। ফলে বিজ্ঞ আদালত থেকে সবুজ জামিনে মুক্ত হয়। পরবর্তীতে পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে থানা পুলিশ ডিএনএ টেস্টের জন্য সিআইডিতে পাঠায়। অবশেষে সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণ মেলে ধর্ষণের। ভুক্তভোগি পরিবার ধর্ষক সবুজের যথাযথ শাস্তি সহ আলামত গোপন করায় এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের দায়ীদের ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন। তারা পুলিশের ভুমিকায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ইয়াকুব আলী জানান, ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগ ওই ছাত্রীর ধর্ষনের কোন আলামত পায়নি বলে প্রতিবেদন দেয়।
বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.মনিরুজ্জামান জানান, ফরেনসিক প্রতিবেদনে ধর্ষণের আলামত না পাওয়া গেলেও ধর্ষণের শিকার ছাত্রী এবং স্থানীয়দের স্বাক্ষীতে ধর্ষণের যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে বিরামপুর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) মিথুন সরকারের নির্দেশে ডিএনএ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষাগারে পাঠানো হয় অভিযুক্তের রক্তসহ ওই ছাত্রীর সালোয়ার, কামিজ ও প্রয়োজনীয় উপকরন। অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণ মেলে ধর্ষণের।
বিরামপুর সার্কেলের এএসপি মিথুন সরকার জানান,  এ মামলার অভিযোগপত্র বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত : ২০১৯ সালের ১ জুলাই বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে ওই ছাত্রী গ্রামের পার্শ্ববর্তী চাচার বাড়িতে যাবার সময় সবুজ ইসলাম কৌশলে তার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করতে থাকে। এ সময় ওই ছাত্রীর চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসলে সবুজ পালিয়ে যায়। পরের দিন এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সবুজ ইসলামকে একমাত্র আসামী করে বিরামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। বিরামপুর থানা পুলিশ অভিযুক্ত সবুজ ইসলাম(২৪)কে আটক করে দিনাজপুর পুলিশ কোর্টের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে পাঠান।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*