বিরামপুরে জীবন শিল্পী সৈয়দ আলী আহসান স্মরণে গুণীজন সম্মাননা প্রদান

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আব্দুর রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি ‘মনে হয় কে যেন আলো হাতে দাঁড়িয়ে আছে’। মনীষী জীবনশিল্পী সৈয়দ আলী আহসান ছিলেন একাধারে কবি, সাহিত্যিক, মুক্তিযোদ্ধা, ধর্মবেত্তা, শিক্ষাবিদ, শিক্ষা প্রশাসক, অতুলনীয় বাগ্মী, কথাশিল্পী, সব্যসাচী লেখক, সংগঠক, সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা, সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠক, ৩ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক, ভাষা সংস্কার কমিটির সদস্য, নোবেল কমিটির সদস্য, এককথায় বহুমাত্রিক এই মানুষটি জীবনের নানা আঙ্গিনায় শুধু ফুল ফুটিয়েছেন। সব সরকারই তাঁর কাছ থেকে উপদেশ নিয়েছেন। তিনি ছিলেন সত্যিকার অর্থে উপদেশকদের উপদেষ্টা। মনে হয় তিনি যেন জাতির অভিভাবক হতে চেয়েছিলেন, হয়েছেনও তাই। কিন্তু এখন আর তাঁকে সে মাত্রায় স্মরণ করা হয় না।

উপরোক্ত কথামালা রচনা করেন, গত মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর বিকেলে দিনাজপুর জেলার বিরামপুরে অনুষ্ঠিত স্মরণসভার প্রধান অতিথি বিরামপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তাদের কথায় আরও উঠে আসে যে, তিনি ছিলেন সব্যসাচী লেখক ও চিন্তাবিদ। বর্ণাঢ্য জীবনে তাঁর অবদান ছিল অতুলনীয়। প্রত্যাদৃষ্ট জ্ঞানকে তিনি প্রজ্ঞান হিসেবে জ্ঞানের মূল উৎস মনে করতেন। প্রতিটি মানুষকে তিনি তাঁর নিজ নিজ ধর্মের মূল বাণীকে মাতৃভাষার মাধ্যমে আহরণ করার এবং ধর্মভেদে সবার ঘরে ঘরে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রধান ধর্ম গ্ৰন্থ পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাঁকে স্বরণ করা আমাদের জাতীয় কর্তব্য স্মরণ সভাটি ছিলো সেন্টার ফর ন্যাশনাল কালচার (সিএনসি) -এর ধারাবাহিক আয়োজনের সপ্তম অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানটির আয়োজন ছিল বিরামপুরের ঐতিহ্যবাহী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে। বিরামপুর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি একেএম শাহজাহানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক শিক্ষক মোহাম্মদ মোস্তাক হোসেন এবং পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আরমান হোসেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন সিএনসি’র নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুল হক এবং সৈয়দ আলী আহসানের সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন সিএনসি’র সহকারী গবেষণা অফিসার সীমান্ত আকরাম।

অনুষ্ঠানের বিশেষ জীবন শিল্পী সৈয়দ আলী আহসান স্মরণে সিএনসি পদক প্রদান করা হয় জনপ্রতিনিধি ও আইনজীবী মো: হামিদুর রহমান, সাংবাদিক ও চিকিৎসক ডা: নূরুল হক এবং কবি ও শিক্ষাবিদ আ. ফ. ম আকমাল হোসেনকে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*