বিরামপুরে বিষাক্ত স্পিরিট (এ্যালকোহল) পানে মৃত্যু-৮ : বিক্রেতা হোমিও ডা. মান্নান আটক : মাদক বিরোধি অভিযান হয়েছে

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্টাফ রিপোর্টার : দিনাজপুরের বিরামপুরে বিষাক্ত স্পিরিট (অ্যালকোহল) পানে ২৭ মে বুধবার এক দম্পতিসহ ছয়জনের মৃত্যু হয় , রাত্রি ৮টার দিকে  অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও দুইজন মারা যাওয়ায় সর্বমোট ৮জন মারা গেলেন। এ্যালকোহোল বিক্রেতা হোমিও ডাক্তার আবদুল মান্নানকে আটক করেছেন। বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর জেলা কায্যালয়ের ইন্সেপেকটর (ওসি) লোকমান হোসেনের নেতৃত্বে বিরামপুরে মাদক বিরোধি অভিযান হয়েছে। এদিকে আজ রাত্রি ৮.২০ মিনিটে মামুদপুরের আনিছুর রহমান বাবু জানান, রংপুরে চিকিৎসাধীন মনো ও রানা কিছুক্ষন আগে মারা গেছে বলে এলাকায় খবর পাঠিয়েছেন।
মৃতরা হলেন- বিরামপুর শহরের মাহমুদপুর মহল্লার সুলতান আলীর পুত্র মহসীন আলী (২৭), তোজাম্মেলের পুত্র আজিজুল (৩০), আনোয়ার হোসেনের পুত্র আঃ মতিন (২২), হঠাৎপাড়া মহল্লার শফিকুল (৫৫) ও স্ত্রী মঞ্জুয়ারা (৩৫) , ইসলামপাড়া মহল্লার তাপস রায়ের ছেলে অমৃত। মঙ্গলবার রাতে স্পিরিট পান করেন। সন্ধ্যা থেকে তারা অসুস্থ বোধ করেন। ২৭ মে বুধবার সকাল থেকে দুপুর একটার মধ্যে একে একে ছয়জনের মৃত্যু হয়। থানা পুলিশ লাশগুলো হেফাজতে নিয়ে পোস্ট মর্টেম করাতে দিনাজপুরে মর্গে পাঠিয়েছেন। বুধবার রাতে রংপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন শহরের মামুদপুরের অফুরের পুত্র মনো  (৫০) ও দক্ষিণ লক্ষীপুরের আজিজারের পুত্র রানা (৩৫)।

বুধবার সকালে খবর পেয়ে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুর রহমান, পৌর মেয়র লিয়াকত আলী সরকার টুটুল, বিরামপুর সার্কেল এএসপি মিথুন সরকার ও বিরামপুর থানার ওসি মনিরুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন ।
উপজেলা নিবার্হী অফিসার তৌহিদুর রহমান ও থানার ওসি মনিরুজ্জামান ঘটনাস্থল থেকে এ্যালকোহোল বিক্রেতা হোমিও ডাক্তার আবদুল মান্নানকে আটক করেছেন।
মৃত: মহসীনের পিতা সুলতান আলী জানান, নিহতরা আগে থেকেই মাদকাসক্ত ছিল। স্পিরিট পানে তারা অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।
পৌর মেয়র লিয়াকত আলী সরকার টুটুল জানান, বিরামপুর শহরের অনেক হোমিও দোকানে অবাধে স্পিরিট বিক্রি হয়। এই স্পিরিট পানেই তাদের মৃত্যু ঘটেছে।
ওসি মনিরুজ্জামান জানান, নেশা পানে তিনজনের মৃত্যুর কথা তারা জেনেছেন। তবে কি ধরনের নেশা তারা পান করেছিল তা পরীক্ষার জন্য মৃতদের লাশ দিনাজপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। অপর দিকে স্পিরিট পানে একই গ্রামের রানা, জর্জিস, হৃদয় ও ছাত্তার নামে চার’জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে বলে তাদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। মৃত্যুর মিছিল আরও বড় হতে পারে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর জেলা কায্যালয়ের ইন্সেপেকটর (ওসি) লোকমান হোসেনের নেতৃত্বে বিরামপুরে মাদক বিরোধি অভিযান হয়েছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*