বিরামপুরে ৪৯তম বিজয় দিবস উদযাপন

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আব্দুর রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি দিনাজপুরের বিরামপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ১৬ ডিসেম্বর ২০২০ বুধবার ৪৯ তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন হয়েছে। এ উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৩১ বার তোপধ্বনীর মাধ্যমে মহান বিজয় দিবসের শুভ সূচনা হয়।

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে সুনির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ না করে দিবসের শুরু থেকে দিনব্যাপী বিরামপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সকল শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

শহীদ মিনারে উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পৌরসভা, সরকারি, বে-সরকারী দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক বীমা, সাংবাদিকগণসহ সর্বস্তরের জনগণ পুস্পস্তবক অর্পন করেন এবং সকল শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

সকাল ৮ টায় উপজেলা পরিষদ বঙ্গবন্ধু চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়াও উপজেলার সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল সাড়ে ৮ টায় “জাতির জনক স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় সমৃদ্ধি অর্জন” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকারের সভাপতিত্বে ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুস সালাম এর সঞ্চালনাায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান উম্মে কুলসুম বানু, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান, বিরামপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান, মোস্তাক মাস্টার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শীবেষ কুন্ডু, নাড়ু গোপাল কুন্ডু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিকছন চন্দ্র পাল, বিরামপুর সরকারি কলেজের সিনিয়র প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, বিরামপুর উপজেলা কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা প্রমুখ।

পরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সংবর্ধনা এবং উপহার হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের কম্বল প্রদান করা হয়েছে।

বাদ জোহর ও সুবিধামত সময়ে জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সীমিত আকারে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল/প্রার্থনা করা হয়। দুপুরে হাসপাতাল ও এতিমখানাসমূহে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*