মন্তব্য প্রতিবেদন : ইউএনও মশিউর রহমান ও তার সহকর্মীগন সবখানেই সরব

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মোরশেদ মানিক, সম্পাদক-পজিটিভ বিডি নিউজ ২৪ ডটকম : দিনাজপুরের নবাবগঞ্জের তদানিন্তন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মশিউর রহমান তার নতুন নতুন উন্নয়ন কর্মকান্ডের নবাবগজ্ঞবাসীর কাছে স্মরনিয় হয়ে থাকবেন অনন্তকাল। এই বরেন্য ব্যক্তির পদধুলা পড়েছিল আমার প্রতিষ্ঠিত “ চাংপাই চাইনিজ রেস্টুরেন্ট এন্ড ফাস্ট ফুডে। সাথে ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পারুল বেগম ও পরিবার, দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিনিধি এ.এস.এম আলমগীর। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মশিউর রহমানের এ সমস্ত মহতী উদ্যোগে সব সময় মিডিয়ার পক্ষ থেকে গুরুত্বপূন ভূমিকা ও পরামর্শ দিয়েছেন দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিনিধি এ.এস.এম আলমগীর। ইউএনও অবস্থান কালে সবটুকু সময়ই নবাবগঞ্জকে আরও কিভাবে সম্ভব তা জানতে চান।  মশিউর রহমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে জাতীয় উদ্যান ও আশুড়াবিলের অভুতপূব উন্নয়ন সাধিত করেন। তার অসমাপ্ত কাজ গুলো বতর্মান ইউএনও নাজমুন নাহার সম্পন্ন করছেন আন্তরিকতার স্বার্থে। এই মহান ব্যক্তিটির বিদায় অনুষ্ঠান ও বর্ষবরন অনুষ্ঠান করার সুয়োগ আমার উদ্যোগ ও দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিনিধি এ.এস.এম আলমগীরের সঞ্চালনায়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এএসপি মিথুন চক্রবর্তী, বিরামপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তৌহিদুর রহমান, বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মানিরুল ইসলাম, বিরামপুর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেন, উপাধ্যক্ষ অদ্বৈত্য কুমার, বিরামপুর মাহিলা কলেজের অধ্যক্ষ শিশির কুমার সরকার, বিরামপুরে অবস্থানরত প্রায় সকল গনমাধ্যম কর্মী, বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও চাংপাই চাইনিজ রেস্টুরেন্ট এন্ড ফাস্টফুডের শুভাকাঙ্খীগন। সেই অনুষ্ঠানে আমাদের সকলের প্রত্যাশা ছিল নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মশিউর রহমানকে যেভাবে বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হচ্ছে এভাবে বিরামপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তৌহিদুর রহমানের বিদায় অনুষ্ঠান করা হবে। কিন্তু করোনা মহামারীর কারনে সে উদ্যোগ আর নেয়া যায়নি, ইউএনও তৌহিদুর রহমানকে বিদায় দিতে হয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে; এমন পরিস্থিতি কারও কাম্য ছিল না। তবে না পারার ব্যর্থতা পিড়া দেয়। ইউএনও তৌহিদুর রহমান এখন কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় কর্মরত, ভাল থাকুন এ কামনা বিরামপুরবাসীর পক্ষ থেকে । নবাবগজ্ঞ ও বিরামপুরের বিদায়ী ইউএনও দ্বয় ছিলেন বস্তুনিস্ট ও পেশাদারী মানসম্পন্ন মান সম্পন্ন সাংবাদিকদের অত্যন্ত আন্তরিক। বর্তমান ইউএনও দ্বয় (নাজমুন নাহার ও পরিমল কুমার সরকার ) আন্তরিক , তবে কতিপয় অসাধু সাংবাদিক (বৈধ আয়ের উৎস নেই) তারা না অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। অপসাংবাদিকার দায়ে কয়েকজন এলাকা থেকে বিতাড়িত এখন বাসা-বাড়ী ভাড়া নিয়ে করোনা মহামারী কালের চলছে রাজার হালে, অথচ নেই কোন ব্যবসা-চাকুরী বা সম্পদ। এ সমস্ত অপতৎপরতা রুখতে হবে সমন্বিত ভাবে। গনমাধ্যমের এই সব ধান্দাবাজদের কাছে এখন সফল ও পেশাদারী সাংবাদিকগন চোখের বালি। বিয়ষটি হয়ত বর্তমান ইউএনও দ্বয়ও অনুধাবন করেছেন।

নবাবগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসার মশিউর রহমানের বিদায় অনুষ্ঠানের পর তিনি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রামে অবস্থানকালে মহাসড়ক- সড়ক দখল মুক্ত করে জনদুর্ভোগ দূর করেছেন। রাস্তা দখলমুক্ত হওয়ায় নেই কোন যানজট । তিনি পাটগ্রামে তার স্বল্পকালীন সময়ে যে উন্নয়ন সাধন করেছেন তা স্মরনীয় হয়ে থাকবে অনন্তকাল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মশিউর রহমান ও তার সহকর্মীগন সর্বদা সরব থাকবেন এটাই পরিক্ষিত। চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা ভোলারহাট উপজেলাবাসী সত্যিই ভাগ্যবান মশিউর রহমানের মত সবদা জাগ্রত একজন উন্নকর্মীকে ইউএনও হিসেবে পাওয়ায়। ইউএনও মশিউর রহমান সর্বদা বিশ্বাস করেন সরকার ও রাজনীতিবিদ গন উন্নয়ন কর্তা। উন্নয়ন কর্তা ও উন্নয়ন কর্মীদের সমন্বয় সাধন হলেও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয় এবং হয়েছে, ভোলার হাটে এর ব্যতিক্রম হবে না আশা রাখি। সেই সাথে ভোর হাটের পেশাদারী মানসম্পন্ন সাংবাদিকদের ভাই-বোনদের আন্তরিক সমন্বয় কামনা করছি। কারন অপ-সাংবাদিকতায় আসক্তদের ঠাই হবে না এটি নিশ্চিত থাকুল, বলছি শতভাগ আত্ন বিশ্বাস থেকে। আজ ফেইস বুকে একটি লেখা আবারও স্মরন করিয়ে দিল  ইউএনও মশিউর রহমান সর্বদা সরব, উন্নয়ন বা মানবতায়।

ঘটনা বিবরন এমনটায় : চাপাই নবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার মোসাঃ নাসরিন বেগম একজন অসহায় মহিলা। স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে তাকে এখন ভরণ পোষণ দেয় না মর্মে অভিযোগ করেন তথ্য আপা প্রকল্পের তথ্যসেবা কর্মকর্তার কাছে। তথ্যসেবা কর্মকর্তা ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মশিউর রহমানকে বিষয়টি জানালে ভিকটিমের কাছ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে ন্যায়বিচারের আশ্বাস দেন তিনি ।

ইউএনও মশিউর রহমানের মর্মাহত প্রতিক্রিয়া ও আহবান : তার বাড়িতে খাবার কিছু নেই শুনে খুব খারাপ লাগলো। সাথে সাথে তার জন্য মোটামুটি এক মাসের চাল, ডাল, আটা, লবন, তেল ইত্যাদি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য কিনে তাকে সহায়তা করা হলো। আসুন, আমরা সকল অসহায়ের পাশে দাঁড়াই। মানবতার জয় হোক।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*