যুগ্ম সচিব পদে বিরামপুরের কৃতি সন্তান রাজ্জাক সরকার সহ ১২৩ জনের পদোন্নতি

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পজিটিভ বিডি নিউজ ২৪ ডটকম (ঢাকা) : উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন সরকারের ১২৩ কর্মকর্তা। বিসিএস ১৮তম ব্যাচের এই কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দিয়ে শুক্রবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। নিয়ম অনুযায়ী এসব কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। পরে তাদের পদায়ন করা হবে।

পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে ১১৭ জন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অন্যান্য সরকারি দফতরে কর্মরত আছেন। আর ছয়জন বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাস ও হাইকমিশনে কর্মরত আছেন।
যুগ্ম-সচিবের নিয়মিত পদের সংখ্যা ৪১১টি। তবে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী পদোন্নতির পর বর্তমানে যুগ্ম-সচিবের মোট সংখ্যা দাঁড়ালো ৭৩৯ জনে।
স্থায়ী পদ না থাকায় এমনিতেই অনেক যুগ্ম-সচিবকে নিচের পদে কাজ করতে হচ্ছে, এর ওপর নতুন করে পদোন্নতি দেয়া হলো। পদোন্নতিপ্রাপ্ত বেশির ভাগ যুগ্ম-সচিবকে বর্তমান কর্মস্থলে ইনসিটু (উপ-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা স্থানে) থাকতে হবে।
এর আগে গত বছরের ১৬ জুন ১৩৬ কর্মকর্তাকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছিল সরকার।
‘সরকারের উপ-সচিব, যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’-এ বলা হয়েছে, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের উপ-সচিব পদে কর্মরতদের বিবেচনায় নিতে হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, উপ-সচিব পদে কমপক্ষেপাঁচ বছর চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা বা উপ-সচিব পদে কমপক্ষে তিন বছর চাকরিসহ ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে কোনো কর্মকর্তা যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।

পদোন্নতি পেলেন যারা :

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মোঃ আব্দুর রাজ্জাক সরকার( দিনাজপুরের বিরামপুরের কৃতি সন্তান), বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (ঢাকা) পরিচালক, এসএম মাসুদুর রহমান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়য়ের উপসচিব মো. আতাউর রহমান, বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের (ঢাকা) মহাব্যবস্থাপক মো. গিয়াস উদ্দিন মোঘল, অর্থবিভাগে সংযুক্ত ড. খুরশীদ আলম, ভূমি সংস্কার বোডের ডি.এল.আর.সি মো. এজাজ আহমেদ জাবের, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের পরিচালক বেড়ম মাহবুবা ফারজানা, ইন্সুরেন্স ডেভেলপমেন্ট এবং রেগুলেটরি অথরিটির (ঢাকা) পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুর রউফ, মৎস ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. হামিদুর রহমান, সমাজ সেবা অধিদফতরের পরিচালক সৈয়দ মো. নুরুল বাসির, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক মো. ইব্রাহিম খান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মো. কামরুজ্জামান, বিদ্যুৎ বিভাগের মোহাম্মদ মফিজুর রহমান, জননিরাপত্তা বিভাগের আবু হেনা মোস্তফা জামান, সরকারি কর্মচারী হাসপাতালকে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীতকরণ প্রকল্পের পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক খন্দকার আজিম উদ্দিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেগম মনোয়ারা ইমরাত, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ অফিসের উপপরিচালক বেড়ম রিানা মাহরখ।

মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি-২ এর সহায়তা অবকাঠামো নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের পরিচালকজ মো. আজিজুল ইসলাম,মন্ত্রিপরিষ বিভাগের মো. মামুনুর রশীদ ভুইয়া, বগুড়ার জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ, নহরুল ইন্স্টিটিউট প্রকল্পের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের পরিচালক মো. হামিদুল হক, স্থানীয় সরকার বিভাগের মো. এরশাদুল হক, বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের সচিব মো. আবুল ইসলাম, আরপিএটিসির (রাজশাহী) উপপরিচালক মো. জিয়াউল হক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ডের সৈয়দা নওয়ারা জাহান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেগম ফারাহ শাম্মী, বরিশাল বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মো.আব্দুর রাজ্হাক, সামরিক ভূমি ও সেনানিবাস অধিদফতরের উপপরিচলক ড. এ এন এম বজলুর রশীদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকি, ওয়ারপো, ঢাকা-এর পরিচলক বেগম বদরুন নাহার, ঢাকা জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মুহাম্মদ ফেরদৌস খান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর একান্ত সচিব গৌতম চন্দ্র পাল, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বেগম হুমায়রা বেগম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মোহাম্মদ মাহবুবুবর রহমান ভুঁঞা, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের বেগম সুরাইয়া পারভীন শেলী, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের মো. হাসান মারুফ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মো. মোখলেছুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টার একান্ত সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম ভুঞা, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষে সংযুক্ত মোহাম্মদ হাসান আরিফ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের শাহানা সারমিন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ড. আবু শাহীন মো. আসাদুজ্জামান, অর্থ বিভাগের বেগম নাসিমা পারভীন,বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজশাহী) পরিচালক এ কে এম বেঞ্জামিন রিয়াজী, হজ অফিসের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে সংযুক্ত আবু নুর মো. শামসুজ্জামান, স্থানীয় সরকার বিভাগের মো. এমদাদুল হক চৌধুরী, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস, ওয়েজ আর্নার্স ওয়েল ফেয়ার বোর্ডের পরিচালক বেগম কামরুন আকতার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে বেগম রেহানা ইয়াছমিন, বিদ্যুৎ বিভাগের ইয়াসমিন বেগম, রেলমন্ত্রীর একান্ত সচিব মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, করিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের মো. আয়াতুল ইসলাম, অর্থ বিভাগের রহিমা বেগম, কক্সবাজার আর.আর.সি অফিসের অতিরিক্ত কমিশনার কাজী মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ, শারীরিক প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট, মৈত্রী শিল্প গাজীপুরএর নির্বাহী পরিচালক মো. সেলিম খান, সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব বিজয় কৃঞ্ন দেবনাথ, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের সচিব আব্দল লতিফ মোল্লা, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষনা ও দূর অনুধাবন সংস্থার সচিব মো. ইমতিয়াজ হোসেন।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সংযুক্ত মোঃ নাসির উদ্দিন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বেগম নাফিজা শ্যামা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সেলিম ফকির, রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালযয়ের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার এ এন এম মইনুল ইসলাম, সুরক্ষা সেবা বিভাগের শেখ আখতার হোসেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর একান্ত সচিব মোহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী, অর্থ বিভাগের মোহাম্মদ মাহফুজুল আলম খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বেগম জেসমিন নাহার, গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বেগম আয়েশা আক্তার, বিআরডিবির পরিচালক মোহাম্মদ সাঈদ কুতুব, রাজশাহী জেলা প্রশাসক মোঃ হামিদুল হক, অর্থ বিভাগের মোহাম্মদ হোসেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মোহাম্মদ আবদুল মান্নান, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার জহিরুল ইসলাম, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মনিশ চাকমা, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ড. মোঃ আবুল হোসেন।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ড. গোলাম মো. ফারুক, অর্থ বিভাগের মুন্সী আব্দুল আহাদ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেগম রাশেদ জামান, সিপিটিইউ আই এম ডি ঢাকার পরিচালক শেষ হায়দার চৌধুরী, ইনকাম সাপোট প্রোগ্রাম ফর দা ফরেস্ট এর উপর প্রকল্প পরিচালক মোঃ মনিরুল ইসলাম, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের মৃত্যুঞ্জয় সাহা,বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের মোঃ শাহ আলম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ড. মোঃ মেহেদী হাসান, অর্থ বিভাগের ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ,বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের মোঃ মনোয়ার হোসেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের শিখা সরকার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত মো. আব্দুল খালেক মল্লিক, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পরিচালক বেগম ফাহমিদা আক্তার, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মোহাম্মদ ফজলুল হক, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাইফুদ্দিন আহমেদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম তিতাস।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে জাপানের অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক সালেহ আহমদ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মোহাম্মদ মিজানুর রহমান,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত আসমা তাসকিন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এ কে এম শহীদুল্লাহ, পরিকল্পনা বিভাগের ড. উত্তম কুমার দাস, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের খ ম রফিকুল ইসলাম, শিল্প মন্ত্রণালয়ের মোহাম্মদ আবুল খায়ের, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের ড. নাহিদ হোসেন, শেখ রাসেল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রকল্প পরিচালক মোতাহের হোসেন নজরুল ইন্সটিটিউটের সচিব মোঃ আব্দুর রহিম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সুবোধ চন্দ্র ঢালী, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মোঃ শরাফত, কৃষি মন্ত্রণালয়ের মোঃ আমিরুল ইসলাম, ন্যাশনাল ওসিসি ইউ হেলথ এন্ড সেফটি রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর প্রকল্প পরিচালক মোঃ মোশাররফ হোসেন, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ-এর ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আনিসুর রহমান, ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ মশিউর রহমান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর পরিচালক মোঃ জাহিদুল হক সরদার, ¯্রডোর (বিদ্যুৎ বিভাগ) গোলাম সরোয়ার কায়নাত, সিসিএ কার্যালয়ে মনিটরিং সিস্টেম স্থাপন এবং নিরাপত্তা বিধান শীর্ষক প্রকল্পের পরিচালক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ ফারুক, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মোঃ মিজানুর রহমান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের মীর জাহিদ হাসান, তথ্য মন্ত্রণালয়ের মোহাম্মদ কাউসার আহমেদ।

অন্যদিকে, বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত ৬ জন কর্মকর্তাকেও যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে। তারা হলেন- বাংলাদেশ দূতাবাস তেহরান নিযুক্ত (ইরান) কাউন্সিলর মো. হুমায়ুন কবির, যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর এস এম জাকারিয়া হক, বাংলাদেশ দূতাবাস মায়ানমারের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর হাসান খালেদ ফয়সাল, বাংলাদেশ দূতবাস টোকিও (জাপান)-এর কাউন্সিলর জিয়াউল আবেদীন, বাংলাদেশ দূতাবাস ইরানে কমার্শিয়াল কাউন্সিলর মো. সবুর হোসেন এবং বাংলাদেশ দূতাবাস উজবেকিস্তানের কাউন্সিলর নৃপেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*