রাতের বিরামপুর কতটা নিরাপদ ! দরজা খোলার আগে ৯৯৯ কে জানান রাতের বিরামপুর কতটা নিরাপদ ?

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মন্তব্য প্রতিবেদন : যে পরিচয়েই মেইন দরজা খুলতে বলুক ৯৯৯ অবগত করে আপনি নিরাপদ হোনস্থানীয় প্রশাসনের অফিসিয়াল নাম্বারগুলো স্মরন করতে না পারলে টোলফ্রি ৯৯৯ কল করলেও স্থানীয় প্রশাসন আপনার সহায়তায় এগিয়ে আসবেন। বিরামপুর প্রেসক্লাবের ১০ বছরের সফল সাধারন সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক অনলাইন গনমাধ্যম পজিটিভ বিডি নিউজ ২৪ ডটকমের প্রকাশক সম্পাদক মোরশেদ মানিক বিরামপুরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করনে এবং আত্নসম্মান রক্ষার স্বার্থেই উপরোক্ত মন্তব্য করেছেন তিনি আর বলেন, গত ১৩ জুন রাত্রি ১২ টার পর সাংবাদিক মোরশেদ মানিক গ্রুপের সুপ্রতিষ্ঠিত বিরামপুর রাজ ভিলাস আবাসিক হোটেলের বন্ধ গেটে কয়েকজন দরজা খুলতে বলে তাৎক্ষনিক পাহারাদার দরজা খুলতেই ১২ জনের একটি দল (কথিত দুজোড়া কপতকপতি সহ) ঢুকে পড়ে বিষয়টি মোবাইলে আমাকে জানানোর চেষ্টার সেকেন্ডের মধ্যে মোবাইল কেড়ে নিয়ে সব কিছু নিয়ন্ত্রনে নেয় বার বার কল দিয়ে খোজ না পাওয়ায় কয়েক মিনিটের মধ্যে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায় তারা ধান্দাবাজিতে ব্যস্ত প্রশাসন ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠানে এভাবে প্রবেশ অবৈধ বলাতে তাদের মধ্যে একজন সীমান্ত এলাকা কাটলা থেকে বিতাড়িত জনৈক কামরুজ্জামান তার সহযোগীরা বলেন, টাকাপয়সা খরচ করলে সবাই চলে যাবে সে সময় তাদের মধ্যে নাম না জানা বিনাইল ইউনিয়নের একজন বলেন, দুই জোড়া কপোতকপোতি নাকি তাদের এলাকার আত্নীয় পরিচিত অন্যায় আবদারে পাত্তা না দেয়ায় সংঘবদ্ধ চক্রটি বেআইনী ভাবে সম্মানহানীর উদ্দেশ্যে ভিডিও চিত্র ধারন করতে থাকে সে সময় সদ্য বিবাহিত দম্পতির ভিডিও ধারন করলে তাদের সঙ্গে তর্ক হয় এবং নব দম্পত্তি থানায় বিবাহের বৈধ কাগজ আনতে যে সময়টুকু লেগেছিল সে সময়টুকু থানায় থাকতে হয়েছিল তাদের ঘটনার ঘন্টা খানেকের মধ্যে পুলিশ আসে, বিষয়টি জানাতে আমি থানায় গিয়ে বাড়ীতে ফিরে এলেও তারা চাউর করছে আমাকে আটক করেছিল এবং মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছি, যা সম্মানহানীর শামীল তিনি আক্ষেপ করে বলেন, রাতের বিরামপুরের চাদাবাজি চক্রের আক্রোশ হয়তো অনেকের কাছেই অজানা থেকেই যাবে

১৯৮৮ সাল থেকে অদ্যবধি একাধারে সাংবাদিকতা পরবর্তীতে গনমাধ্যম সম্পাদনার সাথে সরাসরি যুক্ত থাকলেও তাদের কাছে আমিই হয়ে গেলাম কথিত সাংবাদিক, আর তারা বিশিষ্ট সাংবাদিক প্রিয় বিরামপুরবাসী আপনি, আমি , আমরা মাটিতেই বড় হয়েছি আমরা তো সকলে সকলকেই জানি রাতের আধারের নারী ঘটিত কাজে চাদাবাজিতে সিদ্ধ হস্ত ঐসব ধান্দাবাজ চক্রকে ম্যানেজ করে আমার ইমেজ রক্ষা করতে চাই না, এতে যদি তারা আমার আমার পরিবারের সুনাম বিপন্নও করেও তবুও অপতৎপরতায় আমি ভীত নই প্রিয় বিরামপুরবাসী, আমি এবং আমার পিতা জনাব এডভোকেট মওলা বক্স বিরামপুর জেলা বাস্তবায়ন আন্দোলনের সম্মুখ যোদ্ধা ছিলামআছিথাকব, বিরামপুর রেল স্টেশনের নামকরন পরিবর্তন সহ আন্ত: নগর ট্রেন থামানের আন্দোলনে সক্রিয় ছিলাম, বিভিন্ন নারী শিশু সুরক্ষা সহ সামাজিক আন্দোলনের সাথে যুক্ত আছি চাদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গভীর রাতের ধান্দাবাজ চক্রটির রসালো লেখায় অনেকে তৃপ্ত হলেও অনেক সমাজ সচেতন নাগরিকগন প্রকৃত ঘটনা জানার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন আমার সন্তানরাও বলছে আব্বু চুপ থেকো না , চাদাবাজ চক্রের কাছে মাথানত না করায় অব্যাহত চক্রান্তের বিষয়টি সকলকে জানিয়ে দাও আজ আমি খুবই ব্যথিত করোনা সংক্রমন রোধে পরিবারের সুরক্ষায় এবং সন্তানদের চাপে যখন দীর্ঘদিন ঘরে অবস্থান করছি, সেখানে রাতের ধান্দাবাজরা কত বাসাবাড়ী প্রতিষ্ঠানে অতর্কিত হানা দিয়ে সম্মানহানীর ভয় দেখিয়ে সব কিছু লুটে নিচ্ছে আমার লেখা আমার সন্তানদের সমাজ সচেতন নাগরিকদের প্রকৃত ঘটনা জানানোর তাগিদকে সম্মান করা ওজন করার মাপকাঠি আপনাদের হাতে, আমরা সকলে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সামাজিক গনমাধ্যমে অনলাইন যুদ্ধে শামিল হলে শুধু বিরামপুর কেন সারাদেশ থেকে ধান্দায় ব্যর্থ হয়ে মানুষের সম্মানহানী করার কারিগরদের প্রতিহত করা সম্ভব হবে

প্রিয় সাংবাদিক সহকর্মী বন্ধুগন, ইয়োলো জার্নালিজমের ধারক বাহকরা লিখছে আমি নাকি কথিত সাংবাদিক আপনাদের প্রতিক্রিয়া কি ?

প্রিয় ব্যবসায়ী বন্ধুগন, গভীর রাতে প্রশাসনের কাউকে না নিয়েই আমার প্রতিষ্ঠানের আমার অবর্তমানে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হানা দিয়েছে স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় (চাদা না দেয়ায়) তারা মানহানীকর অপপ্রয়াস অব্যাহত রেখেছে আপনাদের প্রতিক্রিয়া কি ?

প্রিয় শিশু কিশোর, তোমাদের সাথে শিশু সুরক্ষা কার্যক্রমে দীর্ঘ দিনের পথ চলা চাদাবাজদের অন্যায় আবদার না মানায় তোমাদের মানিক আঙ্কেলকে সমাজে সম্মানহানী করতে মরিয়া ধান্দাবাজ চক্র তোমাদের প্রতিক্রিয়া কি ?

মান্যবর রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আপনাদের নিকট আকুল আবেদন রাতের আধারের সব ধান্দাবাজরা ব্যর্থ হলেই অন্যের সম্মানহানীর যে নেশায় মেতে উঠেছে তারা যেন অন্তত রাজনৈতিক সুনজর আর না পায় নইলে সাপের কামড়ে ওঝার মৃত্যুর শংকা থেকেই যাবে!

5 Comments

  1. জনপ্রিয় সাংবাদিক মোরশেদকে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা নোংরা মানসিকতার বলেই কথিত সাংবাদিক বলার দু:সাহস দেখায়

  2. একজন সুনামধন্য সাংবাদিককে কথিত সাংবাদিক বলা উচিত হয় নি।

  3. যাই হোক, ভাই আপনি প্রকৃত সত্যটা বিরামপুরবাসীর কাছে তুলে ধরে ভালো কাজ করেছেন।

  4. কারও সুনাম ক্ষুন্ন করতে এরকম ষড়যন্ত্র করা মোটেই উচিত নয়।আপনার প্রশাসনের সহায়তা নেওয়া উচিত ছিল।

  5. মোরশেদ মানিক ভাই যদি কথিত সাংবাদিক হয় তাহলে বিরামপুরে প্রকৃত সাংবাদিক কারা? আমার জানা মতে মোরশেদ মানিক ভাইয়ের হাত ধরেই বিরামপুরের বেশ কয়েকজন সাংবাদিক দুটি কথা লিখতে পারছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*