শিশুদের প্রকল্প অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাস হবে: পরিকল্পনা মন্ত্রী

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পজিটিভ বিডি নিউজ ২৪ ডট কম: পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান বলেছেন, শিশুদের নিয়ে আমাদের কাছে যেসব প্রকল্প আসবে, তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাস করা হবে। তবে প্রকল্পগুলো অবশ্যই বাস্তবায়নযোগ্য হতে হবে।

২৪ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাজধানীর স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা ছয়টি আন্তর্জাতিক সংস্থার জোট ‘জয়েনিং ফোর্সেস বাংলাদেশ: চাইল্ড রাইট নাউ প্রকাশিত রুট টু রাইট: চিলড্রেন আর স্পিকিং আপ’ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, শিশুদের প্রকল্প, সবার ঘরেই শিশু আছে। শিশুদের নিরাপত্তায় আলোচনা হবে, গবেষণা হবে। তার মাধ্যমেই বেরিয়ে আসবে সমস্যার সমাধান। শিশুদের নিয়ে উন্নয়ন সংস্থাগুলোর কার্যক্রম প্রশংসনীয়। সরকার এনজিগুলোর কাজে প্রতি সংবেদনশীল।

এমএ মান্নান বলেন, এগুলো নিয়ে মাঝে মাঝে আপনাদের অভিযোগ থাকে। কারণ সরকারের সম্পদের অনেক ঘাটতি আছে। তারপরও আমরা শিশুদের জন্য অনেক বড় উদ্যোগ নিয়েছি। সেটি হলো বিদ্যালয়ে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা। একটি একটি করে শুরু করেছি। পর্যায়ক্রমে আরও উদ্যোগ নেওয়া হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর শিশুদের প্রতি বিশেষ মায়া আছে। বিশেষ করে যেসব শিশু প্রতিবন্ধী বা সবক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো প্রকল্পগুলো আসার পর বাছাই করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরি। সুতরাং আমি একটি কথা বলতে পারি, আমরা আপনাদের প্রতি কমিটেড। শিশুদের নিয়ে কোনো প্রকল্প আমার কাছে নিয়ে গেলে সেটা দ্রুত পাস করা হবে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে যারা কাজ করে, আমি সবাইকে বলেছি এ সংক্রান্ত যত প্রকল্প আসবে যত দ্রুত সম্ভব আমরা পাস করে দেবো। আপনারা ভালো বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্প নিয়ে আসেন আমি পাস করানোর ব্যবস্থা করবো। যেসব প্রকল্পের সঙ্গে শিশু ও সামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে মিল আছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্ক পির্য়াস।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন শিশু অধিকার বিষয়ক সংসদীয় ককাসের সভাপতি অ্যাডভোকেট শামুসল হক টুকু এমপি, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক।

বাজেটে শিশুদের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি, বৈষম্য দূর করতে তথ্য সংগ্রহ শক্তিশালীকরণ, মত প্রকাশের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো, পৃথক শিশু অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা, শিশু শিক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধি, শিশুর প্রতি সহিংসতারোধে আইনি ব্যবস্থা, প্রান্তি জনগোষ্ঠীর শিশুদের জন্য সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়া ও তাদের এগিয়ে নেওয়ার জন্য শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে প্রতিবন্ধকতাগুলো উল্লেখ করে এই প্রতিবেদনে কিছু সুপারিশ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সেভ দ্য চিলড্রেনসহ জয়েনিং ফোর্সেস’র বাকি সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*