সিনহা হত্যা : আদালতে দায় স্বীকার করছে আরও ২ এপিবিএন সদস্য

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পজিটিভ বিডি নিউজ ২৪ ডটকম (কক্সবাজার) : মেজর (অবঃ) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় অভিযুক্ত দুই এপিবিএন সদস্য এএসআই শাহাজাহান, কনেস্টেবল রাজিব ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দিতে আদালতে হাজির হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে এই জবানবন্দী রেকর্ড শুরু হয়েছে।
এর আগে আদালতে বুধবার বিকাল থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত প্রায় ৫ ঘন্টায় দীর্ঘ ১৭ পৃষ্টার জবানবন্দি দেন এপিবিএন এর আরেক সদস্য মো. আব্দুল্লাহ। আদালতের একটি সুত্র জানায়, প্রায় ৫ ঘন্টা ব্যাপী ১৬৪ ধারা জবানবন্দীতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে সিনহা হত্যার ঘটনার গুরুত্বপুর্ণ তথ্য প্রদান ছাড়াও ঘটনার দিন ইন্সপেক্টর লিয়াকত শিকারের জন্য পাগল হয়েছিল। সম্পুর্ন অপেশাদারিত্ব আচরণ করে এবিপিএন এর চেকপোস্টটি তাদের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার কথাও তুলে ধরা হয়।
র‌্যাব সূত্র জানায়, গত ১৮ আগস্ট এপিবিএনের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহজাহান, কনস্টেবল রাজীব ও আব্দুল্লাহকে সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে রিমান্ডের জন্য তাদের র‌্যাব হেফাজতে নেওয়া হয়।
গত ৩১ জুলাই টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর এবিপিএন চেকপোস্টে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান পুলিশ গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস দায়ের করা মামলায় এ তিন এপিবিএন সদস্যকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদলেতে সোপর্দ করে তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব।
এদিকে, মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের সফর সঙ্গী শিপ্রা দেবনাথের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার জব্ধ তালিকায় গরমিল থাকায় আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন রামু থানার ওসি মো. আবুল খায়ের।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর ১২টায় রামুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন তিনি।
বিচারক মো. দেলোয়ার হোসেন মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদেশ দিবেন বলে আদালত সুত্রে জানা গেছে।
গত ৩১ জুলাই কক্সবাজারের শামলাপুর এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান। ওই ঘটনায় টেকনাফ থানায় একটি ও রামু থানায় পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেছিল। রামু থানার মামলায় আসামি করা হয়েছিল স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী শিপ্রা দেবনাথকে।
১ আগস্ট তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। ৯ আগস্ট জামিনে কারামুক্ত হন শিপ্রা।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*