হিলি মসলা বাজারে জিরার কেজি ২৬০ টাকা

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মোসলেম উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি : দিনাজপুরের হিলি বন্দর মসলাবাজারে ভারতীয় জিরার কেজি ২৬০ টাকা। করোনা চলাকালীন গত লকডাউনে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় প্রতি কেজি জিরা বাজারে বিক্রি হয়েছিলো ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ টাকা কেজি দরে। বর্তমান হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু হওয়ায় এবং চাহিদার তুলোনায় জিরার আমদানি বেশি হওয়ায় কমেছে জিরার দাম। এমনটি জানিয়েছেন হিলি মসলা ব্যবসায়ীরা।

হিলি মসলাবাজার ঘুরে দেখা যায়, কাকা, মধু, বমজম,পন্ডিত, সোনাচাঁন্দি ও পোস্টম্যান জাতীয় ভারতীয় জিরা প্রতিটি মসলা দোকানে সাজানো রয়েছে। এই সব জিরা হিলি স্থলবন্দরের আমদানি কারকদের নিকট থেকে ব্যবসায়ীরা ক্রয় করে আনে। করোনা চলাকালীন ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সকল প্রকার আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিলো। আর বন্ধ থাকার কারনে ভারতীয় প্রতিটি পণ্যের দাম কয়েক গুন বৃদ্ধি পেয়েছিলো। লকডাউনের সময় জিরার কেজি বাড়তে বাড়তে তা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজিতে পৌছে ছিলো। এখন তার বর্তমান মুল্য ২৬০ টাকা কেজি।

হিলি বাজারের খুচরা মসলা ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান বলেন, সব মসলার মধ্যে বর্তমান জিরার দাম প্রায় অর্ধেক দামে এসেছে। গত রমজান মাসে আমরা ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে জিরা বিক্রি করেছি। এখন ২৫২ থেকে ২৫৫ টাকা কেজি দরে পাইকারী ক্রয় করে তা ২৬০ টাকা কেজি দামে বিক্রি করছি।

বাজারে মসলা কিনতে আসা লুৎফর রহমানের সাথে কথা হয় তিনি বলেন, এর আগে জিরার দাম এতো বেশি ছিলো যা ক্রয় করার সাধ্যের বাহিরে ছিলো। কোরবানি ঈদের আগে জিরাসহ প্রতিটি মসলার দাম কমে পেয়েছিলাম। যে জিরা একশ গ্রাম ৪০ টাকা দামে কিনেছিলাম, আজ সেই জিরা কিনলাম ২৬ টাকায় একশ গ্রাম।

গোলে বেগম নামের একজন মহিলা বলেন, বাড়িতে একটা ছোট দোকান করে আমি খায়। মসলাসহ জিরার দাম এতো বেশি ছিলো যা ক্রয় করে গ্রামে বিক্রি করা অসুবিধা হতো। এখন জিরার দাম কমেছে, তাই এক কেজি ২৬০ টাকা দরে কিনলাম।

হিলি বাজারের মসলা ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন শাওন বলেন, আমার দোকানে সব ধরনের জিরা আছে। হিলির আমদানি কারকদের নিকট থেকে আমরা জিরা ক্রয় করছি। জিরার দাম কম হওয়াতে ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

হিলি স্থলবন্দরের জিরা আমদানিকারক সাইফুল হোসেন জানান, করোনার কারনে দীর্ঘদিন বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকার কারনে প্রতিটি পণ্যের মুল্য বৃদ্ধি পেয়েছিলো। বর্তমান আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক হওয়ায় কমেছে প্রতিটি পণ্যের দাম। বর্তমান আমরা ব্যবসায়ীদের কাছে ২৫০ টাকা কেজি দরে জিরা পাইকারী দিচ্ছি।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*